Saturday, May 31, 2008

পথের শিশু

লিখেছেন: রুমি আক্তার

একটা শিশু পথের মাঝে
দাড়িঁয়ে থাকে একা।

কেউ করে না খোঁজ যে তার,

কেউ বোঝে না তার ব্যথা।

সেই শিশুটির পথেই জন্ম

পথেই হলো বড়

জানে না শিশুটি

কপালে দুঃখ আছে কত।

মা বলে যার কচি মুখে

ফোটেনি প্রথম কথা

সেই শিশুটি না পেয়ে মাকে

পায় যে মনে অনেক ব্যথা

মায়ের আদর বঞ্চিত

এই হত ভাগ্য ছেলেটি

খায় যে প্রতিদিন হাজার মানুষের লাথি

বাবার স্নেহ ভালবাসাও ভাগ্যে কখনো মেলেনি তার

এমন কি আদর করে ছেলেটিকে কেউ

নেয়নি একটু কাছে

পথের মাঝে সেই ছেলেটি দাড়িঁয়ে থেকে একা

প্রশ্ন করে, কে বলবে তার বাবা মায়ের কথা

প্রশ্ন করেও নিরুত্তর সে

কেন এ বেঁচে থাকা?


স্বপ্নের মানুষ

লিখেছেন: আসমা আক্তার

ফাগুন এসেছে, প্রসূন ফোটেছে
গাইছে বিহগ গান।
ভ্রমর এসেছে, মধুর আশায়
কন্ঠে সুরের তান।
স্বপ্ন দেখেছি, কুড়ায়েছি ফুল
গেঁথেছি প্রেমের মালা।
ছিঁড়ে যদি যায়, মিছে হবে সব
বাড়বে মনের জ্বালা।
কার তরে মোর, মালা শোভাপায়
জানি নাকো ক্ষণতরে।
পড়াতে মালা, ভুল যদি হয়
যাব একেবারে যবে
কুড়াবনা ফুল, গাঁথবনা মালা
স্বপ্ন হয়েই থাক।
চাইনা আমার, স্বপ্নের মালা
মোর ভুলে ছিঁড়ে যাক।

তোমাকে নিয়ে

Title of this post: Only for you by Asma Akter

তোমাকে একটি বার দেখবো বলে
বসে ছিলাম আনমনে
তুমি এলে না দেখাও হল না
আকাঙ্খা রয়ে গেল এই মনে।
তোমায় নিয়ে কত স্বপ্ন ছিল এইমনে
স্বপ্নের ইচ্ছা স্বপ্নেই রয়ে গেল
পূর্ন হলনা কিছুই শয়নে।
এই চোখে চোখ রেখে
তুমি যে বলে ছিলে
যাবে না আমায় ছেড়ে।
সেই কথা আজ তুমি ভুলে গেলে
কিছুই কি নেই তোমার মনে?


ঝড়

Title of this post: A storm by Hazera Akter

ঝড় এলে সবাই বলে
ল্লা ল্লা করো,
ঝড় গেলে সবাই বলে
এবার বাঁচা গেল
তাই বলিয়া ভুল কর-না
ল্লাকে যেওনা ভুলে
আবার যখন আসবে ঝড়,
তোমায় নিবে তুলে


Saturday, May 3, 2008

ফুটপাতের নগ্নরূপ

Title of this post: Necked appearance of footpath by Joynab Khanam.


ফুট পাতের উপর দিয়ে
যায় যখন স্কুলে
রাস্তাটি থাকে তখন
ফেরীওয়ালার দখলে
সবজি আর ফলমূলে
ভরপুর থাকে ফুটপাত
পারিনা হেঁটে যেতে
ভাবি একি উৎপাত

কত দূরে গেলে উঠে পড়ি
ফুটপাতে তাড়াতাড়ি
হায় কপাল! ফুটপাতে বাঁধা আছে
খালি এক ভ্যান গাড়ি
খোলা রাস্তায় কত হাঁটা যায়
ড়ি যদি বাচ্চা নিয়ে দূর্ঘটনায়
আবারো উঠি ফুটপাতে
যায় কিছু পথ নিরাপদে

আহারে বিধি! আছে কি উপায়?
হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে
বাচ্চা ব্যথা পায়
ব্যাপার কি দেখি? ফুটপাতে দাঁড়িয়ে
দেয়াল পত্রিকা পড়ছে সবাই

আবারো ফুটপাতে হাঁটা দিলাম শুরু
একটু যেতেই দেখি বাধাঁ এক গরু
কি আর করি ? স্কুলের হয় দেরী
তাই সব মেনে নিয়ে হাঁটি তাড়াতাড়ি
পৌঁছি যখন স্কুলের কাছাকাছি
ফুটপাতের উপর মলত্যাগ
উহ! সত্যিই বাড়াবাড়ি

ফুটপাতের হাহাকার
প্রতিদিন এত অত্যাচার
দায়িত্ব নেই কারো
সবাই আছে নির্বিকার

আমরাও প্রতিনিয়ত সয়ে যাই
এতসব অত্যাচার,
যারা ফুটপাতের করি ব্যবহার
এসবের আছে কি- কোন প্রতিকার???

সড়ক দুর্ঘটনা

Title of this post: Road accident by Shela Ahmed


সড়ক দুর্ঘটনার সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিতপ্রতিদিন খবরের কাগজে, টেলিভিশনে খবরে শোনা যায় সড়ক দুর্ঘটনার খবরসড়ক দুর্ঘটনায় প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ অকালে প্রান হারাচ্ছেকেউ হারাচ্ছে তার বাবা,মা ,ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী, ছেলে, মেয়েঅনেক নারী অকালে বিধবা হচ্ছেঅনেক ছেলে মেয়ে মা, বাবা হারিয়ে হচ্ছে এতিম এবং কেউ পঙ্গু হয়ে ধুঁকে ধুঁকে কষ্টে জীবন যাপন করছে

এসব কিছু হচ্ছে অসাবধানতার ফলেট্রাফিক সিগন্যাল না মানার কারনে, প্রতিযোগিতা করে গাড়ি চালানোর ফলেএবং তার চেয়ে বড় কথা হল ড্রাইভারের অসাবধানতার ফলে তাছাড়া আজ কাল দেখা যায় ড্রাইভারেরা নেশা করে গাড়ি চালায় যার ফলে ঘটে এমন র্নিমম সড়ক দুর্ঘটনাতাদে এই অসাবধানতার ফলে হাড়িয়ে যাচ্ছে আমাদে দেশের ভবিষ্যতের আলো, দেশের কর্নধার যারা ভবিষ্যতে অনেক বড় হতে পারত কিন্তু এই সড়ক দুর্ঘটনাই র্নিমম ভাবে কেড়ে নিচ্ছে নিষ্পাপ এই তাজা প্রান গুলোএর শেষ কোথায়......এভাবে আর কতদিন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হাড়াবে দেশের মানুষআমরা আর কত দিন অসাবধানতার ফলে অকালে প্রাণ দেবআমাদে কি কিছুই করার নেইআমরা দেশের জনগ সবাই একসঙ্গে হয়ে কি তা প্রতিরোধ করতে পারিনানা আমরাই পারি তা প্রতিরোধ করতে তবে সরকারকে আমাদের সাহায্য করতে হবেসরকার যদি আমাদে সাহায্য করে তাহলে আমরাই পারব সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করে সুন্দর এক পরিবেশ সৃষ্টি করতে

একটা ঘটনা বলি---এক ছেলে এস.এস.সি পরিক্ষা দিতে যাবে রাস্তা পাড় হবার সময় একটা ট্রাক তার উপর দিয়ে চলে যায় সে মাটিতে পড়ে যায়তাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যায় কিন্তু ভাগ্যে কি নির্মম পরিহাস তার আগেই সে মারা যায়তার পকেটে এস.এস.সি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ছিল কিন্তু তা ছিল রক্তে ভেজা, তার স্বপ্ন এক নিমিষেই শেষ করে দিল এমনকি তার প্রাণ পর্যন্ত কেড়ে নিল অকাল মৃত্যু আমাদের কারোও কাম্য হতে পারে না সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশিতাই সময়ের চেয়ে জীবনের দাম দিতে হবে

Friday, May 2, 2008

বিশ্ব এ্যাজমা দিবস

Title of this post: International Asthma Day by Aysha khatun


এ্যাজমা বা হাপাঁনি একটি অতি পরিচিত রোগ
পরিবারের কোন সদস্য শ্বাসকষ্টে ভুগছে না, এমনটি এদেশে বিরলএ্যাজমা হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী এবং মারাত্নক একটি ফুসফুসের রোগ, যেখানে বায়ুনালীতে প্রদাহ ও ফুলে যাওয়ার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস কষ্টকর হয়ে পড়েহাপাঁনি রোগীদের শ্বাসনালী যাদের হাপাঁনি নেই তাদের শ্বাসনালীর তুলনায় অনেক বেশী স্পর্শকাতর অর্থাৎ সামান্য কারণেই তাদের শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে পড়েফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, বুকের ভিতর সাঁ-সাঁ শব্দ হয়সেই সঙ্গে ঘন ঘন কাশি হয় এবং বুকে আটঁসাঁট চাপের কারণে বারবার এ উপসর্গ গুলো দেখা দিলে আমরা তাকে হাপাঁনি বা এ্যাজমা বলি

আবহাওয়া এবং ঋতু পরিবর্তনের কারণে এ্যাজমা প্রকোপ বাড়েআমাদের দেশে সবচেয়ে বেশী উপসর্গ দেখা যায় শীতের শুরুতে বা শেষে এবং অতিরিক্ত গরমে, আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে, ঠান্ডা বাতাস বইলে, মেঘলা আকাশে, হঠাৎ বৃষ্টি নামলে, কুয়াশা পড়লে, জোয়ার-ভাটার সঙ্গে কিংবা আমাবস্যা-পূর্ণিমায় কারো কারো হাপাঁনি বেড়ে যায়এছাড়া গাড়ি, কল-কারখানা বা চুলার ধোঁয়া, সিগারেটের ধোঁয়া এবং গন্ধঁ, রাস্তা-ঘাটের ধূলাবালি এবং তীব্র গন্ধে হাপাঁনি বেড়ে যেতে পারেমানুসিক চাপের কারণেও এ্যাজমার প্রকোপ বাড়েআবেগ, উৎকণ্ঠা, ভয় থেকে এবং বেশি কাদঁলে বা হাসলে এ্যাজমা রোগীর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়

উন্নত চিকিৎসা সত্ত্বেও এ্যাজমা রোগের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছেশুধু আমেরিকাতেই ১৯৮০ হতে ১৯৮৭ এর মধ্যে এ্যাজমা রোগীর সংখ্যা শতকরা ২৯ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছেপরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রায় ২০ মিলিয়ন আমেরিকান এ্যাজমাতে ভুগছেনএদের মধ্যে ১০ মিলিয়নই ভুগছেন এলার্জিজনিত এ্যাজমায়এর মধ্যে তিন মিলিয়ন শিশু আছেবর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি ১০০ জনে ৫ জন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, গত কয়েক বছরে ইংল্যান্ড ও অষ্টোলিয়ায় এই রোগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছেবর্তমানে বিশ্বে শতকরা প্রায় ৭.২ ভাগ লোক এই রোগে ভুগছেসারা বিশ্বে বর্তমানে ১৩০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত এবং পশ্চিমা বিশ্বে প্রতি এক লাখে ১ হতে ৫ জন এই রোগে মারা যাচ্ছেফলে বছরে প্রায় ৬০ হাজার লোক মারা যায়, যার মধ্যে অধিকাংশই থাকে শিশুবাংলাদেশের প্রায় ৮০-৯০ লাখ রোগী এ রোগে ভোগে থাকেতার মধ্যে অর্ধ্যেকেরই বেশি শিশুশিশুদের আক্রান্তেক্ষেত্রে এ্যাজমা একটি অন্যতম রোগএদেশে এ্যাজমা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বড়দের চেয়ে শিশুদের সংখ্যা বেশী জরিপে আরো দেখা যায় যে, এ্যাজমা আক্রান্ত সদস্যদের পরিবারে এ্যালার্জির কারণে এ্যাজমা, ত্বকের রোগ, নাকের এবং চোখের রোগের প্রকোপ বেশী পূর্ব জরিপের চেয়ে বর্তমান জরিপে দেখা যায় যে, স্বল্প আয়ের লোকদের মধ্যে এই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করেএ জরিপে আরও দেখা যায় যে, বড় বড় শহর অঞ্চলের তুলনায় ছোট শহর ও গ্রাম অঞ্চলে এই রোগের আক্রান্তের সংখ্যা বেশী

জনগণকে এই রোগের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ও সচেতন করে তোলার জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশের ১৯৯৮ সাল হতে ২ মে বিশ্ব এ্যাজমা দিবস পালিত হয়ে আসছেজনগণকে -শিক্ষা, সতর্কতা , চিকিৎসা এ্যাজমার সঠিক ব্যাবস্থা অর্থাৎ রোগী ও রোগীর আত্নী-স্বজনকে এ্যাজমার কারণ এবং নিয়ন্ত্রণ সর্ম্পকে শিক্ষিত হতে হবেগর্ভাবস্থায় আপেল খেলে হবু সন্তানের এ্যাজমা ও এলার্জির ঝুকিঁ অভাবনীয় মাত্রায় কমেআইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া থেকে বিরত থাকলে, শীতকালে সামান্য গরম পানি পান করলে; অজু ও গোছল গরম পানি দিয়ে করলে , রাস্তাঘাটে ধূলোবালি; ধোঁয়া এড়িয়ে চললে ও ডাক্তারের পরামর্শমত কাজ করলে এ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভবপ্রকৃত পক্ষে এ্যাজমা কেবারে নিরাময় করা সম্ভব নয়, নিয়ম মাফিকভাবে এ্যাজমাকে সম্পূর্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব

মে দিবস

Title of this post: May Day by Aysha Khatun

সারা বিশ্বে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের সংগ্রামী এতিহ্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের এক স্মরনীয় ও আন্তর্জাতিক এবং সংহতির উদযাপনের এক অনন্য দিন পহেলা মে , মহান মে দিবস ন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস, এই দিবসটি শ্রেনী বৈষম্যে অবসানের লক্ষ্যে সংকল্পবদ্ধ ও সংগঠিত হয় মে শুধু একটি দিবসই নয়, একটি ইতিহাস, একটি ঘটনা, পথপ্রর্দশক এবং দিকর্নিদেশক ১৮৮৬ সালের ১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর শহরে ৮ ঘন্টা শ্রমদিবস, মজুরি বৃদ্ধিও, তথা ন্যায্য মজুরি, কাজের উন্নত পরিবেশ ইত্যাদি দাবিতে ১লা মে একটি শ্রমিক সংগঠন শিল্প ধর্মঘটের ডাক দেয়এই ধর্মঘটে প্রায় ৩লাখ শ্রমিক যোগ দেয়র্বর ন্থায় সে ধর্মঘট দমন করা হয়শ্রমিকদে এক প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশ গুলি চালায় এর ফল স্বরূপ পরের দিন সে মার্কেটে শ্রমিকরা প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হলে কারখানার মালিকরা সেখানে বোমা বিস্ফোরন ঘটায়, ফলে এই সর্বাত্নক আন্দোলনে আলবার্ট পারনস, জর্জ এঞ্জেল স্পাইজ এডলফ ফীশার প্রমুখ শ্রমিক ও শ্রমিক নেতা প্রান উৎসর্গ করেছিলেনধর্মঘট সংঘটিত করার দায়ে আগষ্ট স্পাইস নামে এক শ্রমিক নেতাকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়উক্ত সংঘটিত ঘটনা ও পরবর্তী ঘটনাবলী থেকে এই দিবসের উৎপত্তি।

শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলনের উক্ত গৌরবময় অধ্যায়ের স্বরণীয় ও অনুপ্রেরনার উৎস হিসাবে ইতিহাসের পাতায় অক্ষয় করে রাখার জন্য ১৮৯০সাল হতে প্রতি বছর মে দিবস পালিত হয়ে আসছে বিশ্বব্যাপীপ্রতি বছরই মে দিবসবিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের নুতন করে সকল ধরনের বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াই করে শপথ নেয়পহেলা মে সেই আন্দোলনের কথাই আমাদের স্বরণ করিয়ে দেয়১৮৯০ সালের ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যালিষ্ঠ কংগ্রেসে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষিত হয় এবং তখন থেকে অনেক দেশে দিনটি শ্রমিক শ্রেনী কতৃক উদযাপিত হয়ে আসছেরাশিয়ায় এবং পরবর্তীকালে রো কয়েকটি দেশে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হবার পর মে দিবস এক বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করেজাতিসংঘে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শাখা হিসাবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা(অরগানাইজেশন বা আই .ত্রল.ও) প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে শ্রমিকদে অধিকার সমূহ স্বীকৃতি লাভ করে বং সকল দেশে শিল্প মালিক ও শ্রমিকদে তা মেনে চলার আহবান জানায় বং এভাবে শ্রমিক ও মালিকদে অধিকার সংরক্ষণ করেবাংলাদেশ আই.ত্রল.ও কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার স্বাক্ষরকারী একটি দেশসমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রমিক শ্রেনীর প্রাধান্যে কারনে অধিকাংশ সমাজতান্ত্রিক দেশে বেশ গুরুত্বও সংকল্প সহকারে মে দিবস পালন করা হয় বাংলাদেশে মে দিবসে সরকারি ছুটি পালিত হয় এখানে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে মে দিবস পালিত হয়

দেশে অতীতকাল থেকে এখনও পর্যন্ত শ্রমিক নিযার্তন চলছেস্থা, কাল,পাত্র ভেদে এই নিযার্তন আমরা দেখি তা হলো শ্রমিককে গালাগাল করা, মানসিক টেনশনে রাখা, হুমকি দেয়া কোনো কোনো পযায়ে শারারিক নির্যাতন করতেও দেখা যায়গার্মেন্টসসহ অনেক ক্ষেত্রে ৮ ঘন্টার পরিবর্তে বিনা ওভারটাইমে ১২-১৪ ঘন্টা কাজ করানো হয় ১২ ঘন্টা কাজ করিয়ে বেতন দেয় ৮ঘন্টারশ্রমিক আইনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে১২ ঘন্টা কাজ করার কোন বিধান নেই কোন কোন শিল্প-কারখানার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাজ করায়, এমনকি মে দিবসের প্রচলিত ছুটি থেকেও তারা বঞ্চিত

বিশ্বে দেশে দেশে নির্বাচিত শোষিত শ্রমিকশ্রেনী নতুন শতাব্দীর প্রথম দশকে এখনো খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থা, চিকিৎসা ও শিক্ষার ন্যুনতম অধিকার থেকে বঞ্চিতবাংলাদেশে শ্রমিক শ্রেনীর অজস্র সমস্যাবাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষ উন্নত বিশ্বে শ্রমিকদের মতো সুযোগ-নিরাপত্তা কাজে পরিবেশ এখনো পায়নি, এদেশের শ্রমিকদে অথনৈতিক অবস্থা ভালো নয়মহিলা শ্রমিকদের প্রতি বৈষম্য একটি বড় সামাজিক সমস্যানারী ও শিশু শ্রমিকরা শোষণের শিকার হচ্ছে কর্মস্থলে নির্যাতন ক্রমশ বেড়ে চলেছেসেখানকার নারী নিযার্তনের ধরন প্রকৃতি সামাজিক নারী নির্যতন থেকে একেবারে আলাদাপুরুষ সহকমীদের দ্বারা তারা খুব সহজে নির্যানের স্বীকার হয়

আমরা আজকের এই স্মৃতিময় দিনে দুনিয়ার মেহনতি মানুষের সঙ্গে এ হয়ে শিকাগোর সেই আত্নত্যাগী শ্রমিকদের স্মরণ করি, নিবেদন করি তাদে প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

Wednesday, April 30, 2008

অন্তরালে

Title of this post: Behind the screen by Afiya Akter


কেন হয় জন্ম মানুষ
কেন হয় মরন,
কেন এই লীলাখেলা
কেন এই ধ্বংসকলা।

কেন মানুষ করে আশা
কেন হয় সর্বনাশা,
কেন হায়! আকাশ কাঁদে
বৃষ্টি নামের ছদ্মনামে।

কেন পাহাড় ঝর্না ঝড়ায়
নিঠুর কষ্ট বেদনায়,
কেন মানুষ একা হয়
সবার মাঝে নিরালায়।

Monday, April 14, 2008

শুভ নববর্ষ

Title of this post: Shuva Nababarsha by Taslima Akter

শুভ নববর্ষ। আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা দিনপঞ্জিকা-১৪১৫ সালের প্রথম মাসের প্রথম দিন। বসন্ত কালের শেষ সূর্যাস্তের সাঙ্গেই অতীতের ভুল ত্রুটি আর ব্যর্থতারগ্লানি নিয়ে মহাকালের স্রোতে বিলীন হয়ে গেছে ১৪১৪ সাল। সূর্যোদয়ের সহিত নবজীবনের উজ্জল বার্তা নিয়ে জাতীয় জীবনে ফিরে এসেছে আবহমান বাংলার প্রিয় উৎসব, শুভ বাংলা নববর্ষ।



বাংলা নববর্ষ আমাদের আত্মজাগৃতির দিন, ফিরে আসি দেশীয় ঐতিহ্যের কাছে। তাই বাংলা নববর্ষ বরন উৎসব পরিণত হয়েছে বাঙ্গালীর সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসবে। সব বাঙ্গালী মেয়েরা লালপাড় সাদা শাড়ি, খোপায় ফুল, হাতে রকমারি চুড়ি আর কপালে টিপ এবং পুরুষের গায়ে রঙ বেরঙের পাঞ্জাবি কিংবা ফতুয়া পরে নগরীর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। শহরের অনেক ঘরে পান্তা ভাত, কাঁচা মরিচ, পিঁয়াজ এবং ইলিশ মাছের ভাজি দিয়ে পহেলা বৈশাখের সূচনা হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “এসো হে বৈশাখ এসো এসো.....”, বাংলা নববর্ষের একটি বিখ্যাত সংঙ্গীত।

১৪১৫ বাংলা নববর্ষের প্রথমদিনে আমাদের সকল পাঠকদেরকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

Friday, April 4, 2008

অতীত

Title of this post: Past time by Ruma Akter

কষ্ট যদি দিয়ে থাকি তোমার হৃদয়ে
করে দিও তুমি আমাকে ক্ষমা।
তবুও তুমি অতীত ভূলে যাও,
রেখনা হৃদয়ে যমা।
সে শুধু দেয় কষ্ট বেদনা
জীবন করে বিষাদময়
পাওয়া যায় না এতটুকো সান্তনা
আবারও বলছি তোমাকে,
তুমি অতীত ভূলে যাও।


প্রত্যাশা

Title of this post: Expectation by Afiya Akter

যাহা ঘটে গেছে
তাহা লইয়া নাহি কোন ভয়,
কিন্তু যাহা ঘটিবে
তাহা নিয়া মনে সংশয়।
কি জানি কি হয়,
বুক কাপেঁ ভয়ে
মৃধু আসে আশা
জাগে মনে ভরসা।
হায় জগৎ! তোমার পড়ে
আমার শুধু প্রত্যাশা।

Saturday, March 22, 2008

হয়রানি

Title of this post: Harassment by Sufiya Khatun

২০ শে ডিসেম্বর ২০০৭ ইং তারিখে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বাড়িতে রওনা দিলামআমি,ভাইয়া ও আমার মামাগাবতলি গিয়ে দেখি প্রচুর লোকের ভীঅনেক কষ্টে ভাইয়া তিনটা টিকেট কাটলফেরী পারাপারের কোন গাড়ি পাওয়া গেল নাবাধ্য হয়েই লঞ্চ পারাপারে গাড়ি নিতে হলতারপরেও বেশ ভালই লাগছিলবাড়িতে যাচ্ছি একথা মনে পতেই আনন্দে হৃদয়টা নেঁচে উঠছিল বার বারএকসময় গাড়ি হঠাৎ থেমে গেলোকি হয়েছে? কি হয়েছে? বাস থেকে নামলামনেমে মামাকে জিজ্ঞাসা করলাম
মামা বলল প্রচন্ড ট্রাফিক জ্যাম একদম আরিচা ঘাট পর্যন্ত
আমি মামাকে আবার জিজ্ঞাসা করলাম মামা এই স্থানটির নাম কি?
মামা বলল, মানিকগঞ্জ" । তার মানে মানিকগঞ্জ থেকে শুরু করে একটানা আরিচা ঘাট পর্যন্ত জ্যামএখন কি করি?

অবশ্য মনে মনে ভালই লাগছিলএকপাশে ঘর-বাড়ি,গাছ-পালা এক কথায় গ্রাম, আর এক পাশে ধূ ধূ করা মাঠআর সেই মাঠে হলুদ কার্পেট বিছিয়ে দেয়া হয়েছে হলুদ সরিষার ফুলে মাঠ ভরেগেছে একটানা চার ঘন্টা পথ ধরে ধীরে ধীরে এগোতে লাগলাম আরিচার দিকেএক সময় জ্যাম ছাড়ল আরিচায় পৌঁছে গেলামলঞ্চ ঘাঁটে পৌঁছে দেখি শুধু মানুষ আর মানুষভাইয়াকে বললাম ভাইয়া কিভাবে যাব? এ দেখি হাঁটা পর্যন্ত অসম্ভবতারপরেও দেখি লঞ্চের অভাব যে পরিমান লোক, তার উপযুক্ত পর্যাপ্ত পরিমান লঞ্চ নেইনেই লঞ্চ, নেই নদী পথের অন্য কোন যানবাহন, নেই উপযুক্ত নিয়ম শৃঙ্খলাআছে শুধু মানুষ আর মানুষভাইয়া বলল ট্রলারের ব্যবস্থা করতে হবেনয়ত লঞ্চে ঢুকলে মানুষের চাপেই মারা যাব

কথাটা প্রায় ৯০% সত্যি হচ্ছিলো অল্পের জন্য বেঁচে গেছিযাই হোক বললাম যে টার্মিনালে ঢুকবোনাকিন্তু কিভাবে যে র্টামিনালে ঢুকলাম তা আমরা নিজেরা ও জানি না মামা বলল, ঢুকে যখন পড়েছি বেরোনো যাবে না
একথা বলতে না বলতেই পিছন থেকে ঢেউ এর মত একটা ধাক্কা এলচলে গেলাম অনেক দূরেঅনেকক্ষণ পর একটা লঞ্চ আসলচোখের পলকে লঞ্চটা চলেও গেল তার মানে লঞ্চ আসতে দেরি যেতে দেরি নাইহঠাৎ চিৎকার শুনলামহালকা করে যা দেখলাম, তাতে বুঝলাম একজন মহিলা ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেছেতার পরনে ছিল শাড়িমধ্যবয়স্ক সেই মহিলা মানুষের পায়ের নিচে আহাজারী করছে কিন্তু উঠতে পারছে নাসেই সময়টার এমন অবস্থা ছিল যে, মানুষ তাকে হাত ধরে উঠাবে কি? তার গায়ের উপর দিয়ে সবাই লঞ্চে উঠছেঅনেকক্ষণ পর পর একটি লঞ্চ আসছে আর মানুষ যে কিভাবে উঠছে তা শুধুমাএ স্বচোক্ষে দেখানো ছাড়া লিখে বোঝানো যাবে নাআমার হাতে ছিল দুটি ব্যাগ, মামার হাতে ছিল একটি ব্যাগ, ভাইয়ার হাতেও একটি ব্যাগ অবশ্য তাদের ব্যাগ গুলো ছিল বড়আর আমার হাতের ব্যাগ ছিল ছোটহঠাৎ একটা লঞ্চ এল, মানুষ উঠছেহঠাৎ চিৎকার শুনতে পেলামমায়ের কোল থেকে বাচ্চা ছিটকে গিয়ে পানিতে পড়ে গেলোলঞ্চ ছেড়ে দিয়েছেমা চিৎকার করে উঠলোঅমনি দুটো লোক পানিতে ঝাপ দিয়ে পড়লবাচ্চাটাকে সঙ্গে সঙ্গে উঠালোচোখ ফেরাতে না ফেরাতেই দেখলাম আর একজন মহিলা পড়ে গেলো পানিতেঅবশ্য তাকেও উঠানো হয়েছেকিন্তু এই যে হয়রানি এটা থেকে রক্ষা দেবে কে? সামান্য কিছু নিয়ম শৃঙ্খলার অভাবে হাজারো মানুষের প্রাণ ভেসে যাচ্ছে যাওয়ার একমাত্র পন্থা এই আরিচা ঘাঁটযাইহোক আরিচা ঘাটে দেখা হয়েছিল আমার এক চাচাতো ভাইয়ের সাথেধরিয়ে দিলাম ওর হাতে আর একটা ব্যাগ ও আমাদে অনেক সাহায্য করেছিলএল পিছন থেকে আর ও একটি ধাক্কাআমরা মোট চার জন ছিলাম কিন্তু ধাক্কা খেয়ে চারজন চারদিকে ছিটকে পড়লামআমি ভাইয়ার হাত ধরেছিলাম এখন আর কাউকে দেখিনামনে মনে আল্লাহকে ডাকছিলামআমি চিৎকার দিলামভয়ে কেঁদেও ফেললাম

হঠাৎ একটা ছেলে আমার হাত চেপে ধরে বলল, ভয় নেই তোমার, ল্লাহ ভরসাবুকে একটু সাহস এলখেলাম আর একটা ধাক্কা চলে গেলাম লঞ্চের মাথায়যাই হোক কথায় বলে না? আমি লঞ্চের মাথায় উঠলাম কি নদীতে পড়ে যাচ্ছিলামআর অমনি সেই ছেলেটি আমার হাত চেপে ধরলোছেলেটি হাত না ধরলে আমি নির্ঘাত লঞ্চের নিচে চলে যেতামনিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাকে টেনে উপরে উঠালোআমি নতুন জীবন ফিরে পেলামসত্যি বলতে কি যখন পড়ে যাচ্ছিলাম বা মানুষের চাপের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলাম তখন ভাইয়া মামার কার ও কথা মনে ছিলনাশুধু নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য যুদ্ধ শুরু করলামযাইহোক যখন লঞ্চে উঠে এক পাশে ছেলেটা আমাকে দাঁড় করিয়ে দিলো ঠিক তখনই আমার ভাইয়ার কথা মামার কথা মনে পড়ে গেলো এখন চিন্তা করছি ভাইয়া কোথায়, মামা কোথায়? কাঁদতে লাগলামছেলেটি আমাকে সান্তনা দিতে লাগলজিজ্ঞাসা করল, তোমার সাথে আর কে আছে? ” আমি বললাম,“আমার ভাইয়া আর মামা ছেলেটি বলল,তারা হয়ত ভালভাবেই আছে। আমি কাঁদছি আর বলছি তারা ভাল থাকবে কিভাবে? তারা তো চাপেই মরে যাবেআমি কাঁপছি ছেলেটির সাথে ছিল আরো দুজনজানিনা তারা সর্ম্পকে আত্নীয় কিনাওদে মধ্যে একজন আমাকে পানি দিল বলল চিন্তা করবেন না,পানি পান করুব্যস্থা একটা হবেইছেলেটা বলল তুমি ভয় পাচ্ছ কেন? আমি বললাম, আমি তো সাঁতার জানি না

ছেলেটা বলল, আমরা ও জানিনাতুমি পড়ে গেলে কি আমরা বসে থাকতামআবার বলল আমরা তো আছি ভয় কিসের? তোমার ভাইয়ার সাথে দেখা না হলে, আমরা তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আসব, তোমার বাড়ি কোথায়? আমি বললাম মাগুরাচসে

ছেলেটি বলল, সমস্যা নেই আমি বাড়ি ঐদিকেইতারপরেও সে আর একটি স্থানের নাম নাম বলছিলহয়ত তার থানার নাম অথবা গ্রামের নামকিন্তু ভাগ্য খারাপ আমার তা মনে নেইকিছুক্ষণ পরে মামাকে দূর থেকে দেখলামঐ একই লঞ্চে মামামামা আমাকে খুঁজছেআমি দেখতে পাচ্ছি কিন্তু ডাকতে পারছি না ছেলেটা আমাকে বলল, তোমার ব্যাগ দুটো আমরা দেখছি, তুমি তোমার মামাকে খুঁজে নিয়ে আস
আমি ভীড়ের মধ্যে ঠেলে আস্তে স্তে গেলাম মামা আমাকে দেখলো আর বলল,“মা ভয় নেই তোরতুই ওখানেই থা, আমি রিপনকে ফোন দিচ্ছি কিন্তু পাচ্ছি না

রিপন আমার ভাইয়ার নামআমি তখন আরো ভয় পেয়ে গেলামছেলেটার কাছে ফিরে এলামআমাকে জিঞ্জাসা করলো পেয়েছেন”? আমি বললাম, পেয়েছি

লঞ্চ ঘাঁটে ভিভাবলাম নামতেও মনে হয় অনেক কষ্ট হবেকিন্তু তা আর হল নাছেলেটার সাথে ভাল ভাবেই নামলাম। মামার সাথে ছেলেটার পরিচয় করিয়ে দিলামপরিচয় আর কি? বললাম উনার উছিলায় আমি মৃত্যুর হাত হতে রক্ষা পেয়েছিভীড়ের মধ্য দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আমাদের গাড়ির কাছে পৌছে গেলামকিন্তু আমি কাদঁছি ভাইয়ার জন্যমামা আমাকে সান্তনা দিলছেলেটা মামার কাছ থেকে বিদায় নিলআমাকে শুধু বলল আসিআমি মাথা নাড়ালামকিছুই বলতে পারলাম নাগাড়িতে উঠলামআশেপাশের সিটের সবাই ভাইয়াকে ফোন দিচ্ছে কিন্তু পাচ্ছে নাঅনেকক্ষন অপেক্ষা করার পর ভাইয়া আসলগাড়ি ছেড়ে দিলচাচাতো ভাইটাকে ও পেলামকিন্তু আমার মনের মধ্যে একটাই ভাবনা হচ্ছিলছেলেটাকে ভাল করে একটা ধন্যবাদ ও দিতে পারলাম নানিজের কাছে খুব খারাপ লাগছেনিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছেহয়ত বা সে এ ঘটনা ভুলে যেতে পারে কিন্তু আমি ভুলতে পারবনাতার সাথে হয়ত কখনো দেখা হবেনাকিন্তু তার ব্যাবহার, তার উপকার মনে থাকবে আমার আজীবন

এই যে, কিছু নিয়ম-শৃঙ্খলার অভাবে মানুষের জীবন চলে যাওয়া অথবা মানুষের এই যে হয়রানি এ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় আছে কি? সরকার এত কিছুর সু-ব্যাবস্থার পদক্ষেপ নিয়েছে কিন্তু সাধারন সু-ব্যাবস্থার অভাবে বড় কিছু ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছেমানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার দিকে একটু দৃষ্টি দিলে হয়ত সাধারন মানুষ সস্তি পাবে যেমন নদীপথের যানবাহনের সু-ব্যাবস্থা বিশেষ করে র্টামিনাল গুলোকে আরও প্রসার সুন্দর নিয়মের দ্বারা বেঁধে দিলে এসব হয়রানীর হাত থেকে সাধারন মানুষ বেঁচে যাবে